April 20, 2026, 5:14 am

বুদ্ধি প্রতিবন্ধী মেয়েকে পাট ক্ষেতে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ

শামীম আখতার, বিভাগীয় প্রধান (খুলনা) যশোরের কেশবপুরে দিনমজুরের এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী মেয়েকে রাস্তা থেকে ধরে পাট ক্ষেতে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার পরচক্রা গ্রামে। ধর্ষণে ঘটনা উল্লেখ করে মেয়ের পিতা একই গ্রামের প্রতিবেশী ভ্যানচালক শফিকুল সরদার (২৫) কে অভিযুক্ত করে ৫ জুন থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগের পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

থানার অভিযোগ ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পরচক্রা গ্রামে এক দিনমজুরের স্বামী পরিত্যক্ত মেয়ে একই গ্রামের প্রিন্সিপাল মঈন আহম্মেদ এর বাড়িতে বেশ কিছুদিন ধরে ঝিয়ের
কাজ করে আসছে। সেই সুবাদে বিভিন্ন সময় রাস্তা ঘাটে মেয়েকে উত্ত্যাক্ত ও প্রেমের কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছে একই গ্রামের প্রতিবেশী শফিকুল সরদার।তারই ধারাবাহিকতায় গত ২৮ জুন সন্ধ্যারাতে মঈন আহম্মেদ এর বাড়ির কাজ কর্ম শেষে শফিকুল সরদারের বাড়ির পিছনের রাস্তা দিয়ে মেয়েটা নিজ বাড়ীতে ফিরছিলেন। ওইসময় রাস্তায় উৎ পেতে থাকা শফিকুল সরদার মেয়েকে একা পেয়ে তার গলায় ও মুখে গামছা পেচিয়ে জোর করে পাট ক্ষেতে নিয়ে যায় এবং মেয়েটির পরিহিত ওড়না কেড়ে নিয়ে হাত-পা বেধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ঘটনার বিষয়ে মেয়েটি তার বড় বোনের নিকট বলেন। পরবর্তীতে বড় বোন ধর্ষণের বিষয়ে তার পিতাকে অবগত করেন। মেয়ের পিতা ধর্ষণের বিষয়ে শফিকুল সরদার এর নিকট জানতে চাইলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করাসহ বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে। নিরুপায় হয়ে মেয়ের পিতা থানায় ধর্ষণের অভিযোগ করেন।
ধর্ষনের বিষয়ে মেয়ের পিতা বলেন, আমার বুদ্ধি প্রতিবন্ধী মেয়েকে রাস্তার উপর থেকে ধরে পাট ক্ষেতে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে। এমন অমানবিক ও নেক্কারজনক ঘটনার জন্য প্রশাসনের নিকট সুষ্ঠু বিচার ও অপরাধীকে আইনের আওতায় আনার দাবী করছি।

কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মফিজুর রহমান বলেন, বুদ্ধি প্রতিবন্ধী মেয়েকে ধর্ষণ করার অভিযোগে পিতা বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে। বিষয়টি তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা